স্ত্রীর পিরিয়ডের সময় স্বামী তাঁর সাথে যা করত জানলে, আপনি চমকে যাবেন জানুন এক্ষুনি

0
27

মানুষ সব সময় চায় তাঁর মেয়ের যেন বড় ঘরে বিয়ে হয় ।আর তাঁর জামাই যেন ভালো চাকুরি করে ।আর তাঁর জন্যে তারা যা কিছু চায় সব কিছু দিতে রাজি ।নিজের আয়ত্তের বাইরেও তারা টাকা জোগাড় করে পন দিতে তৈরি থাকে ।শুধু চাকুরি করা বড় জামাই পাওয়ার জন্যে ।কিন্তু যখন সেই সব সরকারি বড় বড় জায়গায় বসে খারাপ কাজ করে থাকে তকন সব থেকে খারাপ হয় ।একন একটি ঘটনা ঘটেছে লগনউ তে ।

Ad

সেখানে পীসীএস অধীকারি দীপ রতন যে এখন তা স্ত্রীকে খুন করার জন্যে জেল খানায় বন্দি আছে ।দীপ রতন তাঁর স্ত্রীকে ১৫ তিওলা থেকে নীচে ফেলে দিয়েছেলিনে ।আর পুলিশ তাঁর কাজ করছে ।নম্ম্রিতার বোন জানায় যে তাঁর দিদিকে কিভাবে দীপরতন অত্যাচার করত ।তাঁর বোন জানায় যে দীপ্রতন তাঁর স্ত্রী পিরিয়ডের সময় সেক্স করতে চায়ত ।আর তাঁর স্ত্রী রাজি না হাওয়ায় তাকে খুব মারধর করত ।এমনকি উল্টো পালটা জায়গায় লাথি মারতে দ্বিধা বোধ করত না ।

নঘ্নউ তে হজর তঙ্গজ ধেনুমতি অয়াপারট্মেন্ট এর ১৫ তলা থেকে ফেলে দিয়েছিল । মৃতের মা আর বোন এই ঘটনাকে খুন বলে জানিয়েছে তারা জানিয়েছে কিভাবে তাঁর দিদিকে অত্যাচার করত ।যা জানলে চমকে যাবেন ।

 

,নমৃতার মা জানায় নমৃতা তাঁর ছোটো মেয়েছিল আর সে  IAS হাওয়ার প্রস্তুতি করছিল ।আর তাঁর পর একটি সাইট থেকে তাঁর মেয়ের বিয়ের প্রস্তাব এল ।সে তাঁর বড় মেয়ের জন্যে ছেলে খুজছিল ।কিন্তু ছেলেটির বাড়ির লোকের নমৃতাকে পছন্দ হয় ।আর নমৃতাও রাজি ছিল না কারন সেও চাইনি তাঁর দিদির আগে তাঁর নিজের বিয়ে হক কিন্তু পরে দীপরতনের মায়ের কথায় তারা রাজি হয়ে যায় আর এই শর্তে রাজি হয় যে নমৃতাকে বিয়ের পরেও পড়াশুনা করতে দিতে হবে ।

 

আর তারা জানিয়েছে যে নমৃতার মৃত্যুর আগে ভ্যালেন টান্সের দিন ছিল আর নমৃতা তাঁর স্বামীর জন্যে অনেক গিফট নিয়েছিল ।কিন্তু নমৃতার ভালোবাসার কোন প্রভাব দীপরতেনের উপর পড়েনি ।এসব বাদ দিয়ে সে নমৃতাকে অত্যাচার করে যেত ।

নমৃতার বড় বোন জানায় যে তাঁর বোন কখনই আত্মহত্যা করতে পারেনা ।সেখুব ভালো ছিল ।সে তাঁর সব দুঃখের কথা তাকে বলত ।আর সে জানায় দীপ তাকে পিরিয়ডের সময় সব থেকে বেশী মারত ।আর পিটঢ়ে আর পেটে বেশী মারত ।যার কারনে নমৃতার বোন তাকে ডিভোর্স দিতে বললে নমৃতা রাজি হত না ।আর এই সব কথা সে তাঁর বোন কে বলত ।

ad

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here