ভারতবর্ষে এই স্থানে মহা লক্ষ্মীর মন্দিরে প্রসাদ হিসেবে ভক্তদের দেয়া হয় সোনা গহনা

0
46

আমাদের ভারত বর্ষ ধর্মীয় দেশ। যেখানে বিভিন্ন ধর্মের মানুষের বসবাস। আমাদের দেশে দেখা যায় বিভিন্ন ধর্মের মানুষ একসাথে বসবাস করে কিন্তু, তারা প্রত্যেকেই তাদের ধর্মের রীতি অনুযায়ী তাদের দেবতাকে পূজা করে। আমরা মন্দিরে পুজো করতে গিয়ে ভগবানের কাছে নিজের মনোবাসনা পূরণের জন্য বহু প্রার্থনা করি।
নিজেদের ক্ষমতা অনুযায়ী মন্দিরে ফল দান করি, কেউ আবার বস্ত্র দান করে । কেউ মন্দিরে নিজের দেবতার কাছে মানসিক পূরণ করার জন্য সোনা গয়না বা নগদ অর্থ দান করে। কেউ কবি দামি রত্ন গয়না ভগবানের পায়ে অর্পণ করে। আমরা প্রতিনিয়ত মন্দিরে গেলে এরকম ঘটনা নিয়ে চোখে দেখতেই পাই। মন্দির থেকে বেরোনোর পর প্রসাদ হিসেবে আমরা মিষ্টি ,লাড্ডু ,ফল নারকেল, ইত্যাদি পেয়ে থাকি।

কিন্তু ভারতবর্ষে এমন এক মন্দিরে যেখানে প্রসাদ হিসাবে সোনা, রুপা, পাওয়া যায়। কি আশ্চর্য হচ্ছেন? হ্যাঁ ঠিকই পড়ছেন, এতে আপনি চমকে গেলেও ঘটনা সত্য।
বিভিন্ন জায়গার দূর-দূরান্ত থেকে দর্শনার্থী এসে এই মন্দিরে ভিড় করে। এই ঘটনাটি কথা জানতে পেরে আপনার মনে হতেই পারে ঠিকই আছে এই মন্দিরে এমন যা ভগবানের প্রসাদ হিসেবে সোনা গহনা পাওয়া যায়।

Ad

জানা গেছে যে মধ্যপ্রদেশের রাতলাম বলে একটি জায়গায় মহালক্ষ্মীর মন্দির আছে যেখানে ভগবানের প্রসাদ হিসাবে সোনা রুপা ও বিভিন্ন অলংকার দেয়া হয়। মন্দিরের সারা বছরই প্রচন্ড ভিড় লেগেই থাকে। বহু দর্শনার্থীদের আনাগোনা এই মন্দিরে। মায়ের মন্দিরে মায়ের চরণে ভক্তরা ভক্তি বলে তারা বিভিন্ন অলংকার গয়না নিবেদন করে । বছরের বিশেষ কিছু দিনে যেমন ধনতেরাস সময় এখানে বহু ভক্তের সমাগম হয় এবং প্রচুর গহনা অলংকার ভান্ডার মজুদ হয়।

এই মন্দিরের মহালক্ষী হয়েছে বহু পুরনো ঐতিহ্যবাহী মন্দির । বহু বছর ধরে এই ঐতিহ্য বহন করে নিয়ে এসেছে মন্দিরের কর্তব্যরত পূজারীরা। মন্দিরে লোকদের দেখতে দূর থেকে আসা হয় এবং এইসব প্রতিভাধর এবং বিশেষ জিনিস যখন তারপর কিছুক্ষন পরে আবার ফিরে দেখতে যেতে তাদের স্বর্ণ ও রূপা অর্ঘ এবং দিওয়ালি সময় হিসেবে অর্ঘ প্রণীত কোন মানুষের খালি হাতে ভক্ত যে দিওয়ালি পর হাজির নয় বিভক্ত করা হয় না যেমন, তাই এখানে টাকা এবং স্বর্ণ ও রূপা নৈবেদ্য নিবেদন এসে দিওয়ালি সময় আপনি ভক্তরা পর্যন্ত মানুষ বেড়াতে এসেছে একটি দীর্ঘ লাইন দেখতে পাবেন এবং এখানে অর্ঘ গ্রহণ উপহারের আকারে পাওয়া সোনার রৌপ্য, লোকেরা এটি খুব ভাল মনে করে এবং বিক্রি করে না বা খরচ করে না।

ad

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here