খোঁজ মিলল ল্যান্ডার বিক্রমের, ইসরোর হাতে এলো সেই ছবি

0
1525

চাঁদে বিক্রম এর সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছিল মাত্র চাঁদ থেকে টু পয়েন্ট ওয়ান কিলোমিটার দূরত্ব, এই বিক্রম ও তার ভেতরে থাকা প্রজ্ঞান চাঁদের সমস্ত খুঁটিনাটি তথ্য অরবিট আর কে পাঠাতো মাত্র 2 থেকে 3 সেকেন্ডের মধ্যে সেগুলো ইসরো পেয়ে যেত অরবিটার এর মাধ্যমে, কিন্তু কেন হলো এই যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতা তার কারণ খতিয়ে দেখতে গিয়ে যেটা জানা গেছে, ইসরো চেয়েছিল চাঁদের সাউথ পোলে অন্ধকার থেকে যে আলো শুরু হচ্ছে সেই আলোটাকে 14 দিন ব্যবহার করা মানে বিক্রম টা কে সেই আলো আর আঁধারের মাঝখানের ল্যান্ড করাতে চেয়েছিলেন’ আর তাতেই হয়েছে বিপত্তি, কারণ চাঁদে থাকা মাটি মানে সেই সেই ডাস্ট ওই আলো-আঁধারের সংযোগস্থলে একটা ঝড় তৈরি হয়েছে যার ফলে চাঁদের ভূপৃষ্ঠ থেকে দু কিলো মিটার উচ্চতায় রেডিও সিগন্যাল এর ব্যাঘাত ঘটেছে, তাই ইসরো যদি ঠিক একদিন পর মানে 14 দিন না করে 13 দিনের গবেশনা যদি চালাতে চাইতো তাহলে, সম্পূর্ণ আলোর দিকে বিক্রমকে নামালে হয়তো এটি নাও হতে পারতো,

Ad

কৃষক পরিবারের ছেলে। কঠোর পরিশ্রম করে আজ ইসরোর চেয়ারম্যান। সহজে হাল ছাড়তে নারাজ কে শিবন। জানালেন, আগামী দু’সপ্তাহ ল্যান্ডারের বিক্রমের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের চেষ্টা করবেন তাঁরা।

শিবন বলেন,”ল্যান্ডার বিক্রমের সঙ্গে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে। আগামী ১৪ দিনে বিক্রমের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনের চেষ্টা করব। শেষ ধাপ ঠিকঠাকভাবে সম্পন্ন হয়নি। ওই পর্বেই ল্যান্ডারের সঙ্গে যোগাযোগ কেটে যায়। পরে আর সংযোগ করা সম্ভব হয়নি।”

মিশন ৯০ থেকে ৯৫ শতাংশ সফল হয়েছে বলে জানিয়েছে ইসরো। এর পাশাপাশি চাঁদের কক্ষপথে অরবিটারের আয়ু ১ বছর থেকে বেড়ে হয়েছে ৭ বছর। ইসরো চেয়ারম্যান সেই সুরেই বলেন, ”অভিযানের প্রতিটি ধাপের সাফল্যের পর্যালোচনা হয়েছে। ১০০ শতাংশের কাছাকাছি সফল হয়েছে মিশন।”অরবিটারের আয়ু একবছর ভাবা হয়েছিল। কিন্তু অতিরিক্ত জ্বালানি থাকায় সেটি সাড়ে সাত বছর চাঁদের কক্ষপথে থাকবে বলে জানালেন শিবন।

এদিন ইসরো বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, চন্দ্রযান ২ অত্যন্ত জটিল অভিযান। বিগত অভিযানের চেয়ে প্রযুক্তিগতভাবে অনেকখানি এগিয়ে। চাঁদের দক্ষিণ মেরুর অভিযানে কাজে লাগানো হয়েছিল অরবিটার, ল্যান্ডার ও রোভার। অরবিটার ক্যামেরাটি হাই রেজোলুশনের (০.৩এম)। চন্দ্র অভিযানে এর আগে কেউ এমন শক্তিশালী ক্যামেরা ব্যবহার করেনি। অরবিটারের আয়ু ১ বছরের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। কিন্তু সেটা পরে বাড়িয়ে করা হয়েছে ৭ বছর। ল্যান্ডার বিক্রমের অবতরণে আধুনিক প্রযুক্তি ও সেন্সরের সাহায্য নেওয়া হয়েছে। অভিযানের প্রতিটি ধাপের পর্যালোচনা করেছে ইসরো। কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যের ৯০ থেকে ৯৫ শতাংশ সম্পূর্ণ হয়েছে।

চন্দ্রযান-২-এর অর্বিটারকেই কাজে লাগালেন ইসরোর বিজ্ঞানীরা। অর্বিটারের পাঠানো থার্মাল ছবি থেকেই মিলল বিক্রমের সন্ধান। চন্দ্রপৃষ্ঠেই পাওয়া গিয়েছে বিক্রম। যদিও এখনও বিক্রমের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করা যায়নি বলে জানা গিয়েছে। অর্বিটারের ছবিতে ল্যান্ডার বিক্রমের ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আপাতত বিক্রমের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনের চেষ্টা চলছে। বিক্রমের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করা সম্ভব হলে তবেই মিলবে জরুরি তথ্য। ঠিক কী ঘটেছিল ল্যান্ডিংয়ের সময়ে, জানা যাবে সেই তথ্য বিশ্লেষণ করেই।

লাগাতার যোগাযোগের চেষ্টার ফলে ইসরোর কাছে বিক্রমের ছবি ধরা পড়ল অফিশিয়ালি ভাবে সেই ছবি এখনো পাবলিক করা হয়নি তবে আশা করা যাচ্ছে খুব তাড়াতাড়ি সেই ছবি দেখতে পাবেন

ad

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here